জাফলংয়ে দাঁড়িয়ে দূরের পাহাড়, পিয়াইন নদী আর নদীর বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পাথর দেখলে মনে হতে পারে প্রকৃতির এই রূপ বুঝি চিরকালই এমন ছিল। কিন্তু মাটির নিচের গল্পটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে চাপা পড়ে আছে প্রাচীন সমুদ্রের স্মৃতি, ভূত্বকের উত্থান-পতনের চিহ্ন, নদীবাহিত পলির স্তর এবং অতীতের ভূমিকম্পের সাক্ষ্য।
আজকের জাফলংয়ের যে চুনাপাথর পর্যটকের চোখে নিছক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অংশ, তার একটি বড় অংশ তৈরি হয়েছিল অগভীর সামুদ্রিক পরিবেশে। আবার বর্তমানের হাওর ও নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতিও একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে নদীর পলি সঞ্চয়, ভূমির অবনমন, পাহাড়ের উত্থান এবং ভূ-গাঠনিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে সিলেটের বর্তমান ভূদৃশ্য।
ভূবিজ্ঞানীদের কাছে তাই সিলেট শুধু পাহাড়, নদী, চা-বাগান কিংবা পর্যটনকেন্দ্র নয়। এটি বঙ্গীয় অববাহিকার উত্তর-পূর্ব অংশের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপ-অববাহিকা ‘সিলেট ট্রাফ’। এই ভূ-গাঠনিক অঞ্চলের মাটির নিচে শেষ মেসোজোয়িক ও সেনোজোয়িক যুগের প্রায় ১২ থেকে ১৬ কিলোমিটার পুরু পাললিক শিলাস্তর রয়েছে। এসব শিলাস্তর বিশ্লেষণ করে এ অঞ্চলের ভূমি গঠন, নদী ও বদ্বীপের বিবর্তন এবং টেকটোনিক পরিবর্তনের দীর্ঘ ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
Geological Society of America Bulletin-এ প্রকাশিত গবেষণায় সিলেট ট্রাফে ১২ থেকে ১৬ কিলোমিটার পুরু মেসোজোয়িক ও সেনোজোয়িক শিলা জমার তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকেরা ভূপৃষ্ঠে উন্মুক্ত শিলা, ভূগর্ভস্থ কূপের তথ্য, ভূকম্পন-তথ্যসহ বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই অববাহিকার বিবর্তনের চিত্র পুনর্গঠন করেছেন।
গবেষণা অনুযায়ী, মায়োসিন থেকে প্লাইওসিন-প্লাইস্টোসিন সময়ে সিলেট ট্রাফের ভূমি অবনমনের হার আগের তুলনায় তিন থেকে আট গুণ বেড়ে যায়। একই সময়ে টিপাম স্যান্ডস্টোন ও ডুপি টিলা ফরমেশনের নদীবাহিত পলি এখানে জমা হতে থাকে।
এই পরিবর্তনের পেছনে উত্তরে শিলং মালভূমির ভূ-গাঠনিক উত্থান এবং ডাউকি ফল্ট বরাবর দক্ষিণমুখী চাপের ভূমিকা ছিল বলে গবেষকেরা ব্যাখ্যা করেছেন।
অর্থাৎ, সিলেটের ভূগর্ভের প্রতিটি শিলাস্তর যেন পৃথিবীর ইতিহাসের আলাদা একটি অধ্যায়।
সিলেটের ভূ-গাঠনিক ইতিহাস বুঝতে ডাউকি ফল্টকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। সিলেট ট্রাফের উত্তরে রয়েছে শিলং মালভূমি। এই দুই ভূ-অঞ্চলের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ সীমানা কাঠামো হলো ডাউকি ফল্ট।
সাম্প্রতিক ভূ-গাঠনিক গবেষণায় ডাউকি ফল্টকে উত্তরদিকে ঢালু একটি বৃহৎ থ্রাস্ট ফল্ট হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, সিলেট ট্রাফ ও শিলং মালভূমির মধ্যকার এই প্রধান ভূ-গাঠনিক সীমানায় অন্তত মায়োসিনের শেষ থেকে প্লাইওসিনের শুরুর সময় থেকেই সক্রিয়তার প্রমাণ রয়েছে।
বাংলাদেশের সরকারি ভূতাত্ত্বিক ও পরিবেশগত মূল্যায়নেও ডাউকি ফল্টকে সিলেট ট্রাফ ও শিলং ম্যাসিফের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ ভূ-গাঠনিক সীমা হিসেবে দেখানো হয়েছে। একটি সরকারি পরিবেশগত মূল্যায়ন প্রতিবেদনে প্রায় ৫ কিলোমিটার প্রশস্ত ফল্ট-জোনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ডাউকি ফল্ট সক্রিয় এ তথ্যের অর্থ এই নয় যে কখন বা কী মাত্রার ভূমিকম্প হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব। ভূবিজ্ঞানীরা অতীতের ভূমিকম্প, ফল্টের গতিবিধি ও ভূ-গাঠনিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করেন। জাফলংয়ের ভূগর্ভে অতীতের সেই ভূমিকম্পের চিহ্নও রয়েছে।
Journal of Asian Earth Sciences-এ প্রকাশিত একটি paleo-seismological গবেষণায় জাফলংয়ে খনন করা ট্রেঞ্চের ভূপৃষ্ঠের স্তরে ভাঁজ ও বিচ্যুতির চিহ্ন পাওয়া যায়। এসব কাঠামোর বয়স বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা একটি ভূমিকম্পজনিত ঘটনার সময়কাল আনুমানিক খ্রিষ্টীয় ৮৪০ থেকে ৯২০ সালের মধ্যে নির্ধারণ করেন।
গবেষণায় পশ্চিম অংশের গাবরাখারি এলাকায় ১৫৪৮ সালের ভূমিকম্পের সঙ্গে ডাউকি ফল্টের বিচ্যুতির সম্পর্কও তুলে ধরা হয়েছে। ঐতিহাসিক নথি ও ভূ-স্তরের প্রমাণ মিলিয়ে অতীতে ডাউকি ফল্টের বিভিন্ন অংশে একাধিক ভূমিকম্পজনিত rupture-এর সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ১৮৯৭ সালের বড় ভূমিকম্পের সঙ্গেও ডাউকি ফল্টের সম্পর্কের সম্ভাবনা আলোচিত হয়েছে ওই গবেষণায়।
অর্থাৎ, সিলেটের ভূমিকম্পের ইতিহাস শুধু পুরোনো নথিপত্রে নয় মাটির স্তরেও তার ছাপ রয়ে গেছে।
জাফলংয়ের ভূতাত্ত্বিক সম্পদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো সিলেট লাইমস্টোন বা সিলেট চুনাপাথর।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণায় এই চুনাপাথরকে ইওসিন যুগের শিলা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। জাফলংয়ের ডাউকি নদী এলাকায় উন্মুক্ত এই শিলায় নুমুলাইট, ডিসকোসাইক্লিনা, অ্যালভিওলিনা, অ্যাসিলিনা ও অস্ট্রাকোডের মতো জীবাশ্ম পাওয়া গেছে।
শিলা, জীবাশ্ম ও খনিজের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা মনে করেন, এগুলো অগভীর সামুদ্রিক পরিবেশে সঞ্চিত হয়েছিল।
অর্থাৎ, আজ যে পাথরের ওপর পর্যটকের পা পড়ে, তার উৎপত্তির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু প্রাচীন সমুদ্রের তলদেশ।
২০১৪ সালে Geoheritage জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় জাফলংয়ের ইওসিন সিলেট লাইমস্টোনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূ-ঐতিহ্য বা geoheritage হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। এতে বলা হয়, এলাকাটির বৈজ্ঞানিক, শিক্ষামূলক, নান্দনিক ও গবেষণাগত গুরুত্ব রয়েছে।
একই গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছিল, জাফলংয়ের উন্মুক্ত চুনাপাথরের স্তরগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। চুনাপাথরের পাশাপাশি কপিলি শেলসহ অন্যান্য ভূতাত্ত্বিক স্তরের উপস্থিতিও এখানে রয়েছে। এ কারণে জাফলংকে সম্ভাবনাময় একটি জিওপার্ক হিসেবে বিবেচনার যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছিল।
চুনাপাথরকে কেবল নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামাল হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব আড়ালে পড়ে যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণায় জাফলংয়ের সিলেট লাইমস্টোনের পাতলা অংশ পরীক্ষা করে জীবাশ্ম, খনিজ গঠন, শিলার ফাটল ও ছিদ্রতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় শিলার ছিদ্রতার পরিমাণ প্রায় ৫ থেকে ১২ শতাংশ পাওয়া গেছে।
জীবাশ্মসমষ্টি ও শিলার গঠন অগভীর সামুদ্রিক পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।
এ ধরনের তথ্য থেকে শুধু শিলার বয়স জানা যায় না। ধারণা পাওয়া যায় সেই সময়ের সমুদ্রের গভীরতা, পানির পরিবেশ, জলবায়ু এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কেও।
অর্থাৎ, জাফলংয়ের একটি শিলা এক অর্থে কয়েক কোটি বছর আগের পরিবেশের একটি প্রাকৃতিক নথি।
সিলেটের ভূগঠন শুধু কোটি বছরের পুরোনো ভূ-গাঠনিক পরিবর্তনের ফল নয়। নদী ও পানি এখনও প্রতিদিন এই ভূদৃশ্যকে বদলে দিচ্ছে।
সিলেট ট্রাফের বিশাল নিম্নভূমি, হাওর ও নদীব্যবস্থার পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি ভূমি অবনমন, পলি সঞ্চয় এবং নদীর ক্ষয় ও সঞ্চয়ের সম্মিলিত প্রভাব। বাংলাদেশ সরকারের একটি পরিবেশগত মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সিলেট ট্রাফকে শিলং ম্যাসিফের দক্ষিণে অবস্থিত বৃহৎ নিম্নভূমি ও সুরমা উপত্যকার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি উপ-অববাহিকা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ পানিও এই পরিবর্তনশীল ভূ-ব্যবস্থার অংশ।
সিলেট অঞ্চলের ২৭টি পর্যবেক্ষণ কূপের ১৯৭৫ থেকে ২০১১ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে করা এক গবেষণায় বিভিন্ন এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের চিত্র পাওয়া যায়। অর্ধেকের বেশি পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে পানির স্তর পরিবর্তনের উল্লেখযোগ্য প্রবণতা ছিল।
গবেষকেরা এর সঙ্গে আঞ্চলিক ভূপ্রবাহ, জলাধারের মধ্যকার চাপের পার্থক্য এবং ভূগর্ভস্থ কাদামাটির স্তরসহ বিভিন্ন কারণের সম্পর্ক দেখেছেন।
তাই ভূতত্ত্ব শুধু কোটি বছর আগের কোনো গল্প নয়। আজকের পানি, ভূমি ব্যবহার, পরিবেশ এবং নগর পরিকল্পনার সঙ্গেও এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
সিলেটের ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলোর একটি তৈরি হচ্ছে মানুষের কর্মকাণ্ডে। একটি পাহাড় কাটা বা গুরুত্বপূর্ণ শিলাস্তর ভেঙে ফেলা মানে শুধু একটি প্রাকৃতিক দৃশ্য নষ্ট করা নয়; কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।
জাফলংয়ের সিলেট লাইমস্টোন নিয়ে প্রকাশিত Geoheritage গবেষণায় উন্মুক্ত শিলাস্তরকে endangered বা ঝুঁকিপূর্ণ ভূ-ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গবেষকেরা এ সম্পদের জন্য আইনগত সুরক্ষা ও নির্দিষ্ট সংরক্ষণব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
পাথর উত্তোলন ও পাথরভাঙার প্রভাব নিয়েও সিলেটে গবেষণা চলছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমের তালিকায় জাফলং ও ভোলাগঞ্জে পাথর উত্তোলন ও ক্রাশিংয়ের কারণে পরিবেশগত অবক্ষয় GIS-ভিত্তিকভাবে মূল্যায়নের একটি প্রকল্প রয়েছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেট শহরের নতুন অন্তর্ভুক্ত ওয়ার্ডগুলোর ভবনের ভূমিকম্পঝুঁকি মূল্যায়ন নিয়েও গবেষণা চলছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরও সিলেটের ভূতত্ত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে আসছে। সংস্থাটির প্রকাশনা তালিকায় ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত *Geology of the Southern Part of Sylhet District* এবং সিলেটের পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের ভূতত্ত্ব নিয়ে পৃথক গবেষণার উল্লেখ রয়েছে। সিলেট শহর ও আশপাশের এলাকার ভূতাত্ত্বিক, ভূ-প্রকৃতিগত ও প্রকৌশলগত মানচিত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে।
সিলেটকে সাধারণত পর্যটনের চোখেই দেখা হয়। জাফলং মানে পাহাড়, পাথর ও নদী; ভোলাগঞ্জ মানে সাদা পাথর; হাওর মানে বিস্তীর্ণ জলরাশি। কিন্তু ভূবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো দৃশ্য নয়। সবকিছুই একটি বৃহৎ ভূ-ব্যবস্থার পরস্পর সংযুক্ত অংশ।
উত্তরে শিলং মালভূমি ও ডাউকি ফল্ট, নিচে সিলেট ট্রাফের পুরু পাললিক স্তর, কোথাও ইওসিন যুগের চুনাপাথর, কোথাও নদীর পলি এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অতীতের ভূমিকম্পের চিহ্ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন। সব মিলিয়ে সিলেট যেন একটি উন্মুক্ত ভূতাত্ত্বিক গবেষণাগার।
এই কারণে জাফলং কিংবা সিলেটের অন্য ভূতাত্ত্বিক স্থানগুলোর সংরক্ষণকে শুধু পর্যটন ব্যবস্থাপনার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রয়োজন হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ জিওসাইট চিহ্নিত করা, বৈজ্ঞানিকভাবে নথিভুক্ত করা, সংরক্ষিত এলাকা নির্ধারণ, পর্যটকের চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।
কারণ একটি ভবন ভেঙে গেলে আবার নির্মাণ করা যায়, একটি রাস্তা নষ্ট হলে আবার বানানো যায়। কিন্তু কোটি কোটি বছরের ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় তৈরি কোনো শিলাস্তর একবার হারিয়ে গেলে মানুষের সময়ের হিসাবে সেটি আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
জাফলংয়ের পাথর তাই শুধু পাথর নয়। তার ভেতরে লুকিয়ে আছে প্রাচীন সমুদ্রের স্মৃতি, ভূত্বকের পরিবর্তনের চিহ্ন, অতীতের ভূমিকম্পের সাক্ষ্য এবং নদী-পলির দীর্ঘ যাত্রার ইতিহাস। সেই ইতিহাস রক্ষা করা মানে শুধু একটি পর্যটনস্থল রক্ষা করা নয় রক্ষা করা পৃথিবীর নিজের লেখা একটি অধ্যায়।
আজকের সিলেট/ জেকেএস









