কর্মসংস্থানের দ্বার খুলবে ‘ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি’
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ AM

কর্মসংস্থানের দ্বার খুলবে ‘ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি’

আজকের সিলেট ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩/০৬/২০২৬ ০৮:৪৯:৩৩ AM

কর্মসংস্থানের দ্বার খুলবে ‘ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি’


বেকারত্ব মোকাবিলা ও কর্মসংস্থান নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ’ নীতির ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যাপক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়তে তৃণমূল থেকে বেকারত্ব দূর করার ওপর জোর দিয়েছেন।

বিনিয়োগ-নির্ভর, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়তে পরিকল্পিত শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলে জানান তিনি। কৃষিকে উৎপাদন, জীবিকা ও জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার কৌশলগত খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।

সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক সুরক্ষা বলয় গড়ে তুলতে সব বয়সের, সব স্তরের নাগরিকের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি মজবুত করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার শিল্প, সেবা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক কৃষিভিত্তিক শিল্পে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ, তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহায়তা এবং নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এবারের বাজেট প্রণয়ন ও সরকারের মধ্যমেয়াদি নীতি-কৌশল নির্ধারণে বাজেট পূর্ববর্তী অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনায় প্রাপ্ত সুপারিশগুলো সক্রিয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানের সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও আমরা মনে করি, নতুন বাজেট অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করবে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা বিকাশ এবং উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা হবে। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে বেসরকারি খাত হবে প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এবং তরুণ ও নারীদের জন্য সৃষ্টি হবে নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র।

প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পদ সঞ্চালনে শিক্ষা ও মানবসম্পদ, স্বাস্থ্য, দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়ন, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস বা আনন্দময় শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাই। আমরা সেই কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, যেখানে একজন শিক্ষার্থী তার নিজ মেধা, পছন্দ বা আগ্রহ অনুযায়ী দক্ষ কারিগর, প্রযুক্তিবিদ, কৃষি উদ্যোক্তা, গবেষক, শিল্পী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, ক্রীড়াবিদ কিংবা অন্য যেকোনো পেশায় সমান মর্যাদা ও সাফল্যের সঙ্গে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা যেমন– জাপানিজ, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার তৃতীয় ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেসব দেশে উচ্চশিক্ষায় গমনেচ্ছুদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা প্রদান করছে। শক্তিশালী ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ, এপ্রেনটিসশিপ ও ইন্টার্নশিপ সুবিধা এবং স্টার্টআপ চালুকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।

এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ
‘করবো কাজ, গড়বো দেশ’ নীতির ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যাপক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি বৈষম্যহীন কর্মসংস্থান ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছি।

মন্ত্রী জানান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ ও প্রবাসী বাংলাদেশি জনশক্তির সুরক্ষা ও কল্যাণে আমাদের সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রবাসী কর্মীদের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার একটি বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবর্তন করছে। প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা, ব্যাংকিং সুবিধা এবং জরুরি সহায়তার সঙ্গে কার্ডটি সংযুক্ত করা হবে। বিকল্প শ্রমবাজার হিসেবে আমরা রাশিয়া, পর্তুগাল, রোমানিয়া, ব্রাজিল, গ্রিস, সার্বিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া– এই দেশগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আমরা আবারও মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের শ্রমবাজার খোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমাদের সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরের মাসেই অর্থাৎ মার্চ, ২০২৬-এ প্রবাসীদের পাঠানো মাসিক রেমিট্যান্স ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ আমাদের গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। আমরা আশা করছি এই ধারা অব্যাহত থাকবে। সরকার প্রবাস আয় বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক শ্রম বাজারের চাহিদার ভিত্তিতে অকুপেশন ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। বিদেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এমন খাতগুলোর জন্য খাতভিত্তিক কোর্স ও পাঠ্যক্রম চালুর কাজ শুরু করেছি। বাজারভিত্তিক প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম উন্নয়ন, সার্টিফিকেশন, অ্যাক্রেডিটেশন ও মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছি। অর্থ বিভাগের অধীনে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কমপিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের আওতায় প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার জনকে বাজার-চাহিদাভিত্তিক মাঝারি হতে উচ্চতর দক্ষতার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কমপক্ষে ৬৫ শতাংশের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্রীড়া খাতকে শুধু বিনোদন নয়, বরং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির অধীনে আয় ও কর্মসংস্থানমুখী একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিকাশ
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছি। আমাদের লক্ষ্য দেশের ক্রিয়েটিভ শিল্পের বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনীতির মূল ধারায় নিয়ে আসা এবং বাংলাদেশের জিডিপিতে এই খাতের অবদান ১.৫ শতাংশে উন্নীত করা। এ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারি, বেসরকারি এবং এনজিও খাতের সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণে কর্মপরিকল্পনা ইতোমধ্যে হাতে নিয়েছি।

তিনি জানান, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিভিত্তিক পণ্য চিহ্নিতকরণ ও ডিজাইন উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে। দেশজুড়ে আঞ্চলিক সৃজনশীল হাব গড়ে তুলতে ১০ বছরের বিনিয়োগ ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেমন– ঢাকার পূর্বাচলে ১৬০ একর জায়গার ওপর পিপিপি মডেলে বিশ্বমানের একটি ‘সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব’ স্থাপনের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং শিশু একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে ‘ক্রিয়েটিভ হাব’ স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্নাতক পর্যায়ের কলেজগুলোতে ইনোভেশন হাব চালুর বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকারের ‘১টি-গ্রাম-১টি-পণ্য’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিভিত্তিক পণ্য যেমন– তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প, বুনন শিল্প, শীতলপাটি, শতরঞ্জি, কাঠের খেলনা, হাতে তৈরি গয়না, টেরাকোটা, ইত্যাদিসহ আরও অনেক পণ্য চিহ্নিত করা হচ্ছে। ক্রিয়েটিভ পণ্যের উন্নয়ন ও নকশার মানোন্নয়নের জন্য দেশীয় ডিজাইনারদের সমন্বয়ে একটি ন্যাশনাল পুল অ্যান্ড ডিজাইনার্স গঠন করা হচ্ছে। বিসিকের আওতাধীন নকশাকেন্দ্রকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনারদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করা হবে।

তিনি বলেন, এই বাজেটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কর্মসংস্থান। আমরা করনীতিকে এমনভাবে সাজাতে চাই, যাতে নতুন ব্যবসা, নতুন ধারণা এবং নতুন প্রজন্ম এগিয়ে আসতে পারে। তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য বর্তমানে শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি আছে। এই কর অব্যাহতি সুবিধা অন্যান্য সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ করার প্রস্তাব করছি। এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে উৎসাহিত হবেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ জোগাতে সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। তারুণ্যকে প্রাধান্য দিয়ে স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। এসএমই উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্রের স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির বিনিয়োগের ওপর প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করছি।

কর্মসংস্থানের জন্য বাজেটে অনেকগুলো বিষয় আছে মন্তব্য করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টার রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি’ মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বিকল্প ক্রিয়েটিভ চিন্তা করেছেন এটা ভালো।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের সঙ্গে অর্থনীতির অনেক বিষয় জড়িত। বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থান হতে পারে। এ বিষয়ে আরেকটু নজর দেওয়া দরকার। তবে যাই বলি, সুশাসন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই সাবেক উপদেষ্টা বলেন, ‘একটি গ্রাম, একটি পণ্য’ সম্ভবত খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামলে উঠে এসেছিল। কিন্তু সেটা চাপা পড়ে গিয়েছিল, সেটা আর হয়নি। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য যদি এটা করা যায়, আর এখন তো ইউনেস্কোর স্বীকৃত অনেকগুলো পণ্য আছে যেমন– শীতলপাটি, জামদানি। এ পণ্যগুলো যদি প্রমোট করা যায়, সেটা অবশ্যই ভালো।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থান হচ্ছে যেমন– কল সেন্টার। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ব্রাজিলের কল সেন্টার চালাচ্ছে বাংলাদেশ। এ উদ্যোগগুলোতে নজর রাখার পাশাপাশি যেন সাইবার ক্রাইম না হয় সে বিষয় দেখতে হবে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর