কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সাদা পাথর অবৈধভাবে সংগ্রহ ও ক্রাশিংয়ের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার উপজেলার কলাবাড়ী এলাকার ক্রাশার মিল অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিচালিত এ অভিযানে অন্তত ৮টি ক্রাশার মিলে ভাঙচুর চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সাদা পাথর জব্দ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ তালুকদার।
এ সময় হাবিব স্টোন ক্রাশার, জালাল স্টোন ক্রাশারসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সাদা পাথর মজুত রাখার দায়ে সংশ্লিষ্ট মিলগুলোর ক্রাশিং যন্ত্রাংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং মজুতকৃত পাথর জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোলাগঞ্জ পর্যটন এলাকার সাদা পাথর লুটের ঘটনা নিয়ে গত বছর দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় কয়েকজন আলোচিত ব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করতে হয়েছে। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর গত চার মাস ধরে একটি চক্র পুনরায় ভোলাগঞ্জ এলাকা থেকে সাদা পাথর সংগ্রহ করে কলাবাড়ীর কয়েকটি ক্রাশার মিলে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব সাদা পাথর কিনে ক্রাশিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। এর আগে একই অভিযোগে হাবিব স্টোন ক্রাশারে অভিযান চালিয়ে কয়েক হাজার ঘনফুট সাদা পাথর জব্দ এবং যন্ত্রাংশ ভাঙচুর করেছিল উপজেলা প্রশাসন। তবে পরে জব্দকৃত পাথর রাতের আঁধারে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
অভিযানের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ তালুকদার বলেন, “অভিযানে কয়েকটি ক্রাশার মিলে সাদা পাথরের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট মিলগুলোর ক্রাশিং যন্ত্রাংশ ধ্বংস করা হয়েছে এবং প্রায় ৯ হাজার ঘনফুট সাদা পাথর জব্দ করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ভোলাগঞ্জ পর্যটন এলাকার সাদা পাথর লুটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি 








