সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) আওতায় প্রথমবারের মতো পাঁচটি ভবনের নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ, নিরাপদ ভবন নির্মাণ এবং নির্মাণকাজে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষের বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটির দ্বিতীয় সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার দুপুর ৩টায় সিউকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। সভা পরিচালনা করেন সিউকের নির্বাহী পরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব) মো. সাদিউর রহিম জাদিদ।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৬ আগস্ট ভবনের নকশা প্রণয়ন ও অনুমোদন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কারিগরি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করার লক্ষ্যে প্রথম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে এ বিষয়ে আবেদন আহ্বান করা হয়। আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর।
এরপর ভূমির ছাড়পত্র ও ভবনের নকশা অনুমোদনের জন্য জমা পড়া আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। পাশাপাশি সরেজমিন পরিদর্শন শেষে বিসি কমিটির সভা আহ্বান করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে পাঁচটি ভবনের নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়।
সিলেটে পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিত করতে ভবন নির্মাণে অনুমোদিত নকশা অনুসরণ, প্রযোজ্য বিধিবিধান মেনে চলা এবং নির্মাণকাজের গুণগত মান ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সিউক। এ লক্ষ্যে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করে ভবনের ব্যবহার উপযোগিতা নিশ্চিত করা এবং অকুপেন্সি সার্টিফিকেট বা ব্যবহার সনদ দেওয়ার কার্যক্রমও নিশ্চিত করা হবে।
সিউক আশা করছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ভবন নির্মাণে পরিকল্পনাগত শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, অননুমোদিত নির্মাণ নিরুৎসাহিত করা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রগতি হবে।
সভায় বিসি কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার; গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী; স্থাপত্য অধিদপ্তরের নির্বাহী স্থপতি; স্থপতি রাজন দাস; সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী; সিলেট জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী এবং সিলেট গণপূর্ত সার্কেলের সহকারী প্রকৌশলী।
আজকের সিলেট/ জেকেএস









