সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে মসজিদের ভেতরে নামাজরত অবস্থায় নাহিদ ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
আহত নাহিদ ইসলাম পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের বীরগাঁও পশ্চিমপাড়ার সাইফুর রহমানের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতি শুক্রবারের মতো নাহিদ ইসলাম শুক্রবারও জুমার নামাজ আদায় করতে বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে যান। নামাজরত অবস্থায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের রেজাউল, তার ছেলে জাহিন এবং আফজল, জুনেল, সেবির, সুবাদসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা রামদা দিয়ে নাহিদ ইসলামের ওপর উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। পরে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
নাহিদ ইসলামের ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক হিরু অভিযোগ করে বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাঁর ভাইয়ের ওপর বীরগাঁও পশ্চিমপাড়ার রেজাউল, তার ছেলে জুবায়েল মেম্বার, জাহিন এবং আফজল, জুনেল, সেবির, সুবাদসহ বেশ কয়েকজন নামাজরত অবস্থায় হামলা চালায়। তারা রামদা দিয়ে কুপিয়ে তাঁর ভাইকে গুরুতর জখম করেছে। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ৭নং ইউপি সদস্য জুবায়েল মিয়া বলেন, “মসজিদের ভেতরে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলে আমি শুনেছি। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, এ বিষয়ে কিছু জানি না। যেহেতু আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।”
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী শান্তিগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর নুর উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
আজকের সিলেট/ জেকেএস
শান্তিগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








