বালাগঞ্জে প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাকারিয়া আহমদের ভুল চিকিৎসায় উপজেলা সদর ইউনিয়নের করচারপাড় গ্রামের ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা চালক দুদু মিয়ার গর্ভবতী ২টি গাভী ও ১টি বাছুর মরার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর বালাগঞ্জ উপজেলার করচারপাড় গ্রামের অটোরিক্সা চালক দুদু মিয়ার ৩ টি গরু অসুস্থ হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে যান। হাসপাতালে গিয়ে প্রাণি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাক্তার জাকারিয়া আহমদ কে সুচিকিৎসার জন্য বাড়িতে নিয়ে আসেন দুদু। তিনটি গরুর মধ্যে ৮ ও ৬ মাসের ২ টি গর্ভবতী গাভীকে ৩-৫টি ইঞ্জেকশন পোষ করা হয় এবং ১ টা বাছুর কে ২টি ইঞ্জেকশন পোষ করা হয়। দুই দিনের মধ্যে ২টি গাভী ও একটি বাছুর মারা যায়। তাৎক্ষনিক উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে যোগাযোগ করলেও কোন কেউ কর্ণপাত করেনি। পরে অভিযোগকারী বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর সেনা ক্যাম্পে গিয়ে বিষয়টি বললে তাৎক্ষনিক ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ফোনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে আলাপ করেন এবং লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। লিখিত অভিযোগ করার পরের দিন দুদু মিয়ার বাড়িতে এসে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৃত গরুকে ময়নাতদন্ত করে নমুনা সংগ্রহ করে সিলেটে পাঠান যা অভিযোগে প্রকাশ।
এব্যাপার অভিযুক্ত ডাক্তার জাকারিয়া আহমদে বলেন, স্বাভাবিক ভাবে আমি চিকিৎসা করেছি, কি কারনে গরু মারা গেছে বুঝা যাচ্ছে না। ভাইরাস জনিত খাদ্যের কারণে এমনটা হতে পারে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আ.জ.ম সালাহ উদ্দিন বলেন কি কারণে গরু মারা গেছে ময়নাতদন্ত ও নমুনা সংগ্রহ করে নমুনা সংগ্রহ করে সেগুলো সিলেট ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি, কি কারণে গরুগুলো মারা গেছে তা জানা সম্ভব হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারিয়া হক বলেন লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্তে করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ভুক্তভোগী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সরকারের কাছে আর্থিকভাবে সহযোগিতা চান।
আজকের সিলেট/ডি/এপি
বালাগঞ্জ প্রতিনিধি 








