পুরনো শাড়িতেই বদলে যেতে পারে ঘরের সাজ
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ PM

পুরনো শাড়িতেই বদলে যেতে পারে ঘরের সাজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২/০৭/২০২৬ ০৯:১৮:৫১ AM

পুরনো শাড়িতেই বদলে যেতে পারে ঘরের সাজ


আলমারিতে যত্ন করে তুলে রাখা ঠাকুরমার পুরনো শাড়ি অনেক সময় আর ব্যবহার করা হয় না। তবে আবেগ ও পারিবারিক স্মৃতিতে জড়িয়ে থাকা এসব শাড়ি ফেলে দেওয়ারও ইচ্ছে হয় না। সামান্য সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে পুরনো শাড়িকেই ঘরের নান্দনিক সাজসজ্জার অংশ করে তোলা সম্ভব। এতে যেমন শাড়ি নতুন ব্যবহার পায়, তেমনি পরিবারের স্মৃতিও জীবন্ত থাকে।

পুরনো শাড়ি দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় আকর্ষণীয় কুশন কভার। বিশেষ করে সিল্ক, তাঁত বা নকশাকরা শাড়ির কাপড় ব্যবহার করলে সোফা কিংবা বিছানার সৌন্দর্য অনেকটাই বেড়ে যায়। ঘরের সাজে আসে ভিন্নমাত্রা।

জানালার পর্দা তৈরিতেও পুরনো শাড়ি হতে পারে দারুণ একটি বিকল্প। হালকা কাপড়ের শাড়ি দিয়ে তৈরি পর্দা ঘরে কোমল আলো প্রবেশ করতে সাহায্য করে এবং তৈরি করে আরামদায়ক পরিবেশ। ফুলেল নকশা বা হালকা রঙের শাড়ি এ ক্ষেত্রে বেশি মানিয়ে যায়।

শাড়ির সুন্দর পাড়, সূচিশিল্প কিংবা কারুকাজ করা অংশ ফ্রেমে বাঁধিয়ে দেয়ালে সাজিয়েও রাখা যায়। এতে শুধু ঘরের সৌন্দর্যই বাড়ে না, পরিবারের একটি মূল্যবান স্মৃতিও শিল্পের রূপ পায়। পুরনো বেনারসি, কাঁথাস্টিচ বা জারদৌসি কাজের শাড়ি এ কাজে বেশ উপযোগী।

এ ছাড়া পুরনো শাড়ি দিয়ে ল্যাম্পশেডের আবরণ তৈরি করলে আলো জ্বালানোর পর কাপড়ের নকশা আরও আকর্ষণীয়ভাবে ফুটে ওঠে। এতে ঘরে তৈরি হয় উষ্ণ ও মনোরম পরিবেশ। কাঠের চেয়ার বা টুলের কভার হিসেবেও শাড়ির কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে পুরনো আসবাবপত্রও নতুন রূপ পায় এবং ঘরের অন্দরসজ্জায় আসে বৈচিত্র্য।

বর্তমান সময়ে পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব বাড়ছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে পুরনো শাড়িকে নতুনভাবে কাজে লাগানো শুধু পরিবেশবান্ধব উদ্যোগই নয়, বরং পারিবারিক ঐতিহ্য ও প্রিয় মানুষের স্মৃতিকে ধরে রাখারও একটি সুন্দর উপায়।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর