দিরাইয়ে ভাবীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যার মামলায় আজলু মিয়ার যাবজ্জীবন
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫০ PM

দিরাইয়ে ভাবীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যার মামলায় আজলু মিয়ার যাবজ্জীবন

দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৮/০৯/২০২৬ ০২:২৪:১১ PM

দিরাইয়ে ভাবীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যার মামলায় আজলু মিয়ার যাবজ্জীবন


সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রিকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ভাবী হামিদা খানমকে (৬০) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা এবং তার নাতনী রুমা আক্তার সীমাকে (৪) হত্যাচেষ্টার মামলায় মো. আজলু মিয়াকে (৪০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের ১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শেরেনুর আলী।

মামলা ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দিরাই পৌরসভার নতুন বাগবাড়ী এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত হামিদা খানমের মেয়ের স্বামী মো. মফশ্বির আলী জানান, পৈতৃক সম্পত্তি কম দামে বিক্রি করা নিয়ে আসামি আজলু মিয়ার সঙ্গে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী হামিদা খানমের বিরোধ তৈরি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আজলু মিয়া বসতঘরে প্রবেশ করে লোহার হাতুড়ি দিয়ে হামিদা খানম ও তার মেয়ে রুমা আক্তার সীমার ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে হাতুড়ির উপর্যুপরি আঘাতে ঘটনাস্থলেই হামিদার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয় শিশু রুমা আক্তার সীমা।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আজলু মিয়াকে হাতুড়িসহ ঘটনাস্থল থেকে আটক করেন। একই সঙ্গে আহত দুজনকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে শিশু রুমা আক্তার সীমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পরদিন ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর আটক আজলু মিয়ার বিরুদ্ধে দিরাই থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামি আজলু মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে রোববার এ রায় দেন।

আজকের সিলেট/ জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর