ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের নিয়মে আবারও পরিবর্তন আসছে। এখন থেকে প্রতি তিন কর মেয়াদ শেষে একবার রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ থাকছে না; প্রতিটি কর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২২তম বৈঠকে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর ৬৪ ধারা সংশোধনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, আগে প্রতি তিন কর মেয়াদ শেষে অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র জমা দেওয়ার যে বিধান ছিল, তা পরিবর্তন করে প্রতিটি কর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
অর্থাৎ, সাধারণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে প্রতিটি মাসের কর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রযোজ্য ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক থাকলে সেটিও পরিশোধ করতে হবে।
নির্ধারিত ১৫তম দিনে সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ থাকবে।
তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কিছুটা বেশি সময় দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি কর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অনধিক ২০ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র জমা দিতে পারবেন।
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর ৬৪ ধারা সংশোধনের জন্য খসড়াটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে।
ফলে সাধারণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আবারও মাসিক ভিত্তিতে কার্যকর হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রতি কর মেয়াদ শেষে রিটার্ন জমা ও প্রযোজ্য কর পরিশোধের নিয়মে ফিরে যাচ্ছে সরকার।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
অর্থনীতি ডেস্ক 








