সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বেড়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ১৬৬ জনের মধ্যে ১১৩ জনই শিশু। তাদের অধিকাংশের শরীরে হামের উপসর্গ রয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। তবে কতজন শিশু প্রকৃতপক্ষে হামে আক্রান্ত, সেই সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সোমবার হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ, ২৯ জন নারী ও ১১৩ জন শিশু। প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চাপ বাড়ছে।
হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কাগজে-কলমে প্রতিষ্ঠানটি ১০০ শয্যার হলেও জনবল ও অবকাঠামো রয়েছে ৫০ শয্যার অনুপাতে। ফলে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
হামে আক্রান্ত শিশুর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. বদরুদ্দোজা উজ্জ্বলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে অনেক শিশু ভর্তি রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা তাঁর জানা নেই। এ-সংক্রান্ত নথি ও তথ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ফয়জুন নেছার কাছে রয়েছে বলে জানান তিনি।
পরে নার্স ফয়জুন নেছার কাছে তথ্য জানতে চাইলে তিনি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ছাড়া গণমাধ্যমকে কোনো তথ্য দেওয়া যাবে না বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলেও দাবি করেন ওই নার্স।
এদিকে, হাসপাতালের রোগীর চাপ ও চিকিৎসাসেবা পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য জানতে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কৃপেশ রঞ্জন রায়ের কার্যালয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








