সিলেট বিভাগের মাঠ প্রশাসনে নতুন করে ১৬ জন সহকারী কমিশনার নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া এসব কর্মকর্তাকে একই সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. বরমান হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া মোট ২৬৬ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনারের অধীনে সহকারী কমিশনার হিসেবে ন্যস্ত করা হয়েছে। শিক্ষানবিস সহকারী কমিশনার হিসেবে তাঁরা মাঠ প্রশাসনে দায়িত্ব পালন করবেন।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৪ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
সিলেট বিভাগে পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ১ নভেম্বর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। তাঁদের নাম, পরিচিতি নম্বর, নিজ জেলা, নিজ বিভাগ ও পদায়নসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রজ্ঞাপনের সংযোজনীতে উল্লেখ রয়েছে।
পদায়ন পাওয়া ১৬ কর্মকর্তার সবাই ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলার ১০ জন, শেরপুরের দুজন, জামালপুরের তিনজন এবং নেত্রকোণার একজন রয়েছেন।
ময়মনসিংহ জেলার কর্মকর্তারা হলেন, মো. নুরুদ্দিন রিয়েল, শেখ ইশা, ফাহিম ইবনে ইদ্রিছ, শান্তিল মাহমুদ আকন্দ জয়, মো. মেহেদী হাসান সিয়াম, আইনুল হক, মো. হাসিবুল ইসলাম, মো. আবু সাঈদ, এনামুল হক ও মির্জা আল মামুন।
শেরপুর জেলা থেকে পদায়ন পেয়েছেন মো. নাজমুল হাসান নাঈম ও জাহাঙ্গীর আলম। জামালপুর জেলার কর্মকর্তারা হলেন মীর মোহাম্মদ মহসীন কবীর, এহসান আবরার ফাইয়াজ ও মো. রকিবুল হাসান। নেত্রকোণা জেলা থেকে পদায়ন পেয়েছেন মো. মেহেদী হাসান শুভ।
নতুন পদায়নের ফলে সিলেট বিভাগের মাঠ প্রশাসনে ১৬ জন কর্মকর্তা যুক্ত হচ্ছেন। সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাঁরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাবলে তাঁদের ওপর অর্পিত আইনগত দায়িত্বও পালন করবেন।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি









