ওসির নীরবতায় বিপাকে সাংবাদিকরা, গোলাপগঞ্জে তথ্য সংকট
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৪০ PM

গোলাপগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ, বিষয়টি দেখার আশ্বাস পুলিশ সুপারের।

ওসির নীরবতায় বিপাকে সাংবাদিকরা, গোলাপগঞ্জে তথ্য সংকট

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১/০৫/২০২৬ ০৩:৫৭:২৩ PM

ওসির নীরবতায় বিপাকে সাংবাদিকরা, গোলাপগঞ্জে তথ্য সংকট


সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আরিফুল ইসলামের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বারবার তথ্য সংকটে পড়েছেন সাংবাদিকরা।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, থানায় যোগাযোগ করা হলেও অনেক সময় ফোন রিসিভ করা হয় না, আবার সরাসরি উপস্থিত হলেও সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। এতে করে সংবাদ পরিবেশনে বিঘ্ন ঘটছে এবং সাধারণ মানুষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে একাধিক সাংবাদিক জানান, “পুলিশ ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। কিন্তু তথ্য না পেলে সঠিক সংবাদ তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়ে।”

দৈনিক ইনকিলাবের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার সৈয়দ রাসেল আহমদ বলেন, একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশ করতে বিভিন্ন সময় আমাদের থানা থেকে অফিসিয়াল বক্তব্য নিতে হয়। সংবাদের গুরুত্ব ও স্বচ্ছতার জন্য এটি আমাদের খুব প্রয়োজন, তবে বিপত্তি ঘটে তখন,যখন আমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্য পাই না। 

তিনি বলেন বিভিন্ন সময় তথ্যের জন্য ফোন দিলে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফোন রিসিভ করেন না, অথবা পরে নিজ থেকেও যোগাযোগ করেন না। এছাড়াও তথ্যের জন্য গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক ও থানার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থাকলেও সেখান থেকেও তথ্য পাওয়া যায় না।

সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, (৩০ এপ্রিল) শুক্রবার সন্ধ্যায় গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ একটি ভারতীয় জিরাবাহী পিকাপ আটক করে, তার সত্যতার জন্য আমি থানায় গিয়ে ওসি সাহেবের বক্তব্য জানতে চাই, তবে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি, তিনি পুলিশ সুপারের কাছ থেকে তথ্য নিতে বলেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য নাগরিকদের কাছে উন্মুক্ত রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত পদ্ধতিতে তথ্য চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা প্রদান করতে বাধ্য, যদি না তা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বা সংবেদনশীল বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়।

এ বিষয়ে সিলেটের পুলিশ সুপার মো: যাবের সাদেক বলেন,“সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে। বিষয়টি আমি গুরুত্বসহকারে দেখবো।”

সচেতন মহল মনে করছেন, স্বচ্ছতা ও তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এস/আর

সিলেটজুড়ে


মহানগর