নেপালে আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৭ AM

নেপালে আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩/০৯/২০২৬ ০৮:৫৬:৪৯ AM

নেপালে আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ


নেপালের ভোটেকোশি নদীতে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা হয়। এতে শত শত মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রও। এ কারণে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়লে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে যায়।

এ সময় নিজেদের চাহিদা মেটানোর পরও নেপালের হাতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ থাকে, যা রপ্তানি করা হয়।

বাংলাদেশ সম্প্রতি ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করছিল। তবে এখন এ বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার পর অনেক হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে।

শুষ্ক মৌসুমেও নেপাল গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে তা কমে ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

নেপালে শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। এ কারণে দেশটিকে একসময় বিদ্যুৎ আমদানি করতে হতো। তবে হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশটি ধীরে ধীরে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারকের ভূমিকায় আসছিল।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন ছিল ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টের। এ দুটি কেন্দ্রই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে গত সপ্তাহ থেকে কেন্দ্র দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখেছে।

কেন্দ্র দুটি মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছিল।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আমরা ভারতকে বিকল্প হিসেবে অন্য প্রজেক্ট থেকে বিদ্যুৎ পাঠানোর সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছি।’

আজকের সিলেট / জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর