সিলেটের মোগলাবাজারে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে ওয়াতির আলী (৩০) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় এক পলাতক আসামিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৯ ও এসআরবি-১১-এর যৌথ অভিযানিক দল।
গ্রেপ্তার মো. সাহাব উদ্দিন ওরফে সাবুল (৫৪) সিলেটের মোগলাবাজার থানার মুছাপুর এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে। তিনি মামলার ৩ নম্বর আসামি।
এসআরবি-৯ জানায়, মুছাপুর এলাকার বাসিন্দা ওয়াতির আলীর বসতবাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে রাস্তা নিয়ে ওয়াতির আলী ও সাহাব উদ্দিনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বিরোধের জের ধরে একই দিন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওয়াতির আলীর বাড়িতে যায়। তাকে বাড়ি থেকে বের করে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান।
ওয়াতির আলীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ২৯ জুলাই রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে মোগলাবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্তের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানাধীন পুরানবাজার এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি-৯ সদর কোম্পানি, সিলেট ও এসআরবি-১১ সদর কোম্পানি, নারায়ণগঞ্জের যৌথ দল। অভিযানে মোগলাবাজার থানার মামলা নম্বর-১৩, তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৬, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় ৩ নম্বর পলাতক আসামি মো. সাহাব উদ্দিন ওরফে সাবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে এসআরবি-৯-এর গোয়েন্দা কার্যক্রম ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আজকের সিলেট/ জেকেএস









